
এম মুরশীদ আলী :
খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় কৃষি গবেষণা, আধুনিক প্রযুক্তি এবং মাঠপর্যায়ে কৃষকদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে। কৃষিকে লাভজনক ও টেকসই খাতে পরিণত করতে পারলে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি উদ্বৃত্ত কৃষিপণ্য বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব হবে। বিএনপি সরকার সবসময় কৃষিবান্ধব সরকার। কৃষকের উন্নয়ন, খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। তাই কৃষকের জীবনযাত্রা উন্নয়ন, উৎপাদন ব্যয় হ্রাস এবং কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। কৃষি খাতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে এবং গবেষণার ফলাফল মাঠপর্যায়ে পৌঁছে দিতে হবে। কৃষককে শুধু উৎপাদন নয়, বাজারজাতকরণ ও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়েও গুরুত্ব দিতে হবে। তাহলেই কৃষি হবে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। তিনি বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে হবে। যার ওপর যে দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে, তা সততা, নিষ্ঠা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে পালন করতে হবে। কোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি বা অবহেলার স্থান নেই। জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করাই হবে সকলের প্রধান লক্ষ্য। আমরা এমন একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ সমানভাবে উন্নয়নের সুফল ভোগ করবে।তিনি আরও বলেন, রূপসাকে আমরা একটি শান্তিপূর্ণ, আধুনিক ও উন্নত উপজেলায় পরিণত করতে চাই। কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়নের মাধ্যমে রূপসাকে দেশের অন্যতম মডেল উপজেলায় রূপান্তর করা হবে। উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত রাখতে সরকার ও জনগণকে একযোগে কাজ করতে হবে। রূপসা হবে শান্তির রূপসা, উন্নয়নের রূপসা এবং সম্ভাবনার রূপসা। গত ১২ জুন (শুক্রবার) সকালে রূপসা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে “প্রোগ্রাম অব এগ্রিকালচার অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনরশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) অর্থাৎ বাংলাদেশে পুষ্টি উন্নয়ন, উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও সহনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি ও গ্রামীণ রূপান্তর কর্মসূচি (পার্টনার) প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেসে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রূপসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা রিকতা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পার্টনার প্রোগ্রামের সিনিয়র মনিটরিং অফিসার মো. মোছাদ্দেক হোসেন, খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) সুবীর কুমার বিশ্বাস, খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, রূপসা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোল্যা সাইফুর রহমান, সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান রুনু, জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শেখ আবু সাঈদ।অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তরুণ কুমার বালা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা সুজিত কুমার মণ্ডল।এ সময় উপস্থিত উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জ্যোতি কণা দাস, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা পপি সাহা ও মো. হাসিবুর শেখ, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সাঈদুর রহমান, সহকারী প্রোগ্রামার ইমরান হোসেন, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শেখ বজলুর রহমান, সমাজসেবা কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম তরফদার, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মুহা. আবুল কাশেম, উপজেলা রিসোর্স ইন্সট্রাক্টর এহতেশামুল হক, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন, অধ্যক্ষ হিল্লোল মুখার্জি, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন, খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য আনিসুর রহমান বিশ্বাস, আরিফুর রহমান আরিফ, আসাফুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বিকাশ মিত্র, সমাজসেবক জাকির হোসেন জমাদ্দার, বিএনপি নেতা কবীর শেখ, রয়েল আজম, রবিউল ইসলাম রবি, জিয়াউল ইসলাম বিশ্বাস, ইলিয়াজ হোসেন, খান আনোয়ার হোসেন, মহিউদ্দিন মিন্টু, শরিফুল ইসলাম বকুল, মিকাইল বিশ্বাস, আজিজুর রহমান, দিদারুল ইসলাম, আরিফ মোল্যা, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বনি আমিন সোহাগ, সাবেক ছাত্রনেতা খান আলিম হাসান, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রেজাউল ইসলাম রেজা, মাসুদ খান, যুবদল নেতা মুন্না সরদার, শাহজামান প্রিন্স, তরিকুল ইসলাম রিপন, নয়ন মোড়ল, বিএনপি নেতা মহিতোষ ভট্টাচার্য, ফিরোজ মাহমুদ, শামীম হাসান, বাদশা জমাদ্দার, কামরুজ্জামান নান্টু, জহিরুল হক শারাদ, এসএম আবু সাঈদ, নাঈম ইসলাম, মোকাররম হোসেন, রহিমা আক্তার নয়ন, হাকিম কাজী, রাজু দাস, তপন দাস, সাইফুল মোল্যা প্রমুখ।
